মিথ্যা আশাগুলো কুড়িয়ে বাড়িয়ে জড়ো করি। সেসবের ওজন কম তো নয়। হাজার ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়ে দিলে রঙিন মোড়ক থেকে বেরিয়ে আসে সত্যি। আমি অতীতের দিকে তাকাই।
মাঝরাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশকে বলি একটা নিজস্ব তারা এনে দাও, যা খসিয়ে দিলেই স্বপ্ন গুলো হয়ে উঠবে বাস্তব। এইমাত্র একটা শুয়োর মুখো পুরুষ রাস্তা পার হয়ে গেল। যার ভিক্ষা পাত্রে কিছু আধুলি রেখেছিলাম।
একটা তোবড়ানো বাটি পেলেই আবার হাত উল্টো করবো ভিক্ষা বাহানায়। সময়ের পাপড়ি মেলে শালুকের ঘুম ভাঙ্গবে । ভিখারী ও আমি তার জন্ম দেখবো। টিভি থেকে বের হবে স্ট্রেঞ্জার থিংকস।
একটা সেফটিপিন আটকে থাকার কথা ছিল কাঁধ পেরোনো আঁচলে।
Leave a comment